সবার জন্য কুরবানী
প্রান্তিক মানুষের আমিষের ঘাটতি পূরণ, ঈদের হাসি ছড়িয়ে দেয়া এবং সর্বোপরি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য একটি কুরবানী করতে পারেন নাসরুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনায়।
কার্যক্রমের বিবরণ
বাংলাদেশে এমন লক্ষ লক্ষ পরিবার আছে, সারা বছর যাদের গরু-ছাগলে গোশত খাওয়ার সুযোগ হয় না। কেবল কুরবানীর ঈদেই তাদের জন্য গোশত খাওয়ার একমাত্র সুযোগ তৈরি হয়। এই মানুষগুলো এমন দারিদ্র্যপীড়িত এলাকায় বসবাস করেন, যেখানে কুরবানী হয় খুবই কম। ফলে অনেক সময় ঈদের দিনেও তারা পর্যাপ্ত গোশত পান না।
অন্যদিকে শহরের একটি ভবনে যতগুলো কুরবানী হয়, অনেক গ্রামের পুরো এলাকাতেও তা হয় না। তাই কুরবানীর গোশতের সুষম বণ্টনের লক্ষ্যে “সবার জন্য কুরবানী” আয়োজন করা হয়।
এর মাধ্যমে শহরের দাতাদের কুরবানীর পশু উত্তরবঙ্গসহ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে জবাই করে সেসব এলাকার দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে গোশত বিতরণ করা হয়।
কুরবানী এমন একটি ইবাদত, যা প্রতিনিধির মাধ্যমে সম্পন্ন করা যায়। যে কেউ চাইলে তার কুরবানী বা তার একটি অংশ আমাদের মাধ্যমে প্রকৃত দরিদ্র মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারেন।
প্রকল্পের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য
- প্রত্যন্ত অঞ্চলের হতদরিদ্র মানুষদের কুরবানীর ঈদে গোশত খাওয়ার সুযোগ করে দেয়া।
- নির্ভরযোগ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দাতাদের আমানত ও ইচ্ছার বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।
- শহর-গ্রামের মধ্যে ঈদের আনন্দের ভারসাম্য আনা।
উপকারভোগী
- প্রত্যন্ত অঞ্চলের দরিদ্র পরিবার
- এতিম ও বিধবা পরিবার
- কর্মহীন, দিনমজুর ও ছিন্নমূল জনগোষ্ঠী
- এমন পরিবার, যারা কুরবানী করার সামর্থ রাখে না
ব্যয়ের খাত
- কুরবানীর গরু ক্রয়
- বিতরণ
- ব্যবস্থাপনা ব্যয়
প্রকল্পের এলাকা
- ৬৪ জেলার দারিদ্র্য বহুল এলাকা
মেয়াদ
- বার্ষিক এবং স্থায়ী প্রকল্প (ঈদ-উল-আযহা কেন্দ্রিক)
ছড়িয়ে দিন ঈদের আনন্দ
গ্যালারি